অবশেষে ডিএনএ পরীক্ষায় প্রমাণ হলো সেই মাদ্রাসা শিক্ষকই জন্ম নেওয়া শিশুটির জৈবিক বাবা!
ঘটনাটি গত এপ্রিলের। নেত্রকোণার মদন উপজেলার একটি কওমি মাদ্রাসার দ্বিতীয় শ্রেণির ছাত্রী ছিল শিশু মেঘলা। অভিযোগ ছিল, সেখানকার শিক্ষক আমান উল্লাহ শিশুটির সঙ্গে অনৈতিক সম্পর্ক করেন।
ঘটনাটি প্রকাশ্যে আসার পর তখন কত কথাই না বলা হয়েছিল! কেউ কেউ ওই হুজুরকে রীতিমতো ফেরেশতা বানিয়ে ফেলেছিল। দাবি করেছিল, তিনি নাকি কিছুই করেননি, তিনি নাকি সম্পূর্ণ নির্দোষ।
আজ ডিএনএ রিপোের্ট এসে সেই দাবির আসল সত্য সামনে আনল। রিপোর্ট অনুযায়ী, জন্ম নেওয়া শিশুটির জৈবিক বাবা সেই আমান উল্লাহই।কিন্তু সবচেয়ে দুঃখের বিষয় কী জানেন?
তখন একদল মানুষ গাইনি ডাক্তার সায়মাকে ইচ্ছেমতো গালিগালাজ করেছিল। কারণ তিনি প্রথম এ বিষয়টা সামনে আনেন। অথচ কোনো কিছু প্রমাণ হওয়ার আগেই তাকে অপমান করা হয়েছিল। আর অভিযুক্ত হুজুরকে বানানো হয়েছিল সাধু, নিষ্পাপ, নির্দোষ!
আজ ডিএনএ রিপোর্ট কথা বলছে।
এখন যারা তখন এত বড় বড় কথা বলেছিলেন, ডাক্তারকে গালি দিয়েছিলেন আর ওই ভণ্ডকে ফেরেশতা বানিয়েছিলেন তারা কি এবার অন্তত সত্যটা স্বীকার করবেন?
অন্ধ সমর্থন আর পরিচয়ের কারণে কাউকে সত্যের ঊর্ধ্বে তুলে দেবেন না। প্রমাণ একদিন না একদিন সামনে আসেই 🙂

