এটি সহবাসের সময় বীর্যপাত দীর্ঘায়িত করার একটি অন্যতম কার্যকর পদ্ধতি।
পদ্ধতি: সহবাস বা হস্তমৈথুনের সময় যখন মনে হবে বীর্যপাত হতে যাচ্ছে, তখন সাথে সাথে সব ধরনের উত্তেজনা বা নড়াচড়া বন্ধ করে দিন।
কার্যকর করার উপায়: উত্তেজনা কিছুটা কমে যাওয়া পর্যন্ত (প্রায় ৩০ সেকেন্ড) অপেক্ষা করুন। এরপর আবার শুরু করুন। এভাবে কয়েকবার চর্চা করলে বীর্যপাতের ওপর নিয়ন্ত্রণ বাড়ে।২. কেগেল ব্যায়াম (Kegel Exercises)
পেলভিক ফ্লোরের পেশি দুর্বল হলে দ্রুত বীর্যপাত হতে পারে। কেগেল ব্যায়াম এই পেশিগুলোকে শক্তিশালী করে বীর্যপাত নিয়ন্ত্রণে সাহায্য করে।
পদ্ধতি: প্রস্রাব করার সময় মাঝপথে যেভাবে প্রস্রাব আটকে দেন, ঠিক সেই পেশিগুলো শনাক্ত করুন। এবার দিনে কয়েকবার সেই পেশিগুলো ৩-৫ সেকেন্ডের জন্য সংকুচিত করে রাখুন এবং তারপর ছেড়ে দিন।
নিয়মিত চর্চা: প্রতিদিন ১০-১৫ বার করে অন্তত ৩ সেট এই ব্যায়াম করলে কয়েক সপ্তাহের মধ্যেই পরিবর্তন বোঝা যায়।
অতিরিক্ত কিছু টিপস:
কনডম ব্যবহার: কনডম লিঙ্গের সংবেদনশীলতা কিছুটা কমিয়ে বীর্যপাত বিলম্বিত করতে সাহায্য করতে পারে।
গভীর শ্বাস নেওয়া: চরম উত্তেজনার সময় লম্বা ও গভীর শ্বাস নিলে শরীরের পেশি শিথিল হয়, যা দ্রুত বীর্যপাত ঠেকাতে সহায়ক।
খাদ্যাভ্যাস: ওমেগা-৩ ফ্যাটি অ্যাসিড, জিঙ্ক এবং ম্যাগনেসিয়াম সমৃদ্ধ খাবার যেমন—বাদাম, ডিম, রসুন এবং কলা দীর্ঘসময় শারীরিক সক্ষমতা ধরে রাখতে সাহায্য করে।
যদি এই পদ্ধতিগুলো কাজ না করে বা সমস্যাটি দীর্ঘমেয়াদী হয়, তবে একজন বিশেষজ্ঞ চিকিৎসকের (Urologist বা Sexologist) পরামর্শ নেওয়া উচিত।

