কিস্তিতে ৫০০০০ টাকার লোন নিয়ে টাকা দিতে না পারায় ধীরে ধীরে সেই কিস্তি ওয়ালার প্রেমে পড়ে যান সীমা আক্তার। টাকা পরিশোধ না করার শর্তে তাদের মধ্যে প্রেমের সম্পর্ক গড়ে ওঠে। এক পর্যায়ে বিয়ের আশ্বাস দিয়ে তারা একসাথে থাকেন।
শপিং করে দিবে বলে গাঙ্গিনীপাড়া এলাকায় নিয়ে একটি হোটেলে অবস্থান করেন তারা। সেখানেও তাদের মধ্যে সম্পর্ক গড়ে ওঠে। তারপর থেকে প্রতিনিয়ত নিজের বাড়ি থেকে শুরু করে বিভিন্ন জায়গায় তাদের দেখা হতো।
হঠাৎ করেই সেই কিস্তিওয়ালার পোস্টিং হয়ে অন্যত্র চলে যায়। বিয়ের আশ্বাস পেয়ে এখন বিয়ে করতে না পারায় সাংবাদিক ডেকে সবকিছু প্রকাশ করেন সীমা আক্তার। তাদের ঘনিষ্ঠ মুহূর্তের কিছু প্রমাণ তিনি রেফারেন্স হিসাবে সাংবাদিকদের দেখান।
তিনি বলেন আমার স্বামী না থাকায় তার কথায় আকৃষ্ট হয়ে এবং তার মিথ্যা বিয়ের প্রলোভনে পড়ে আমি ধীরে ধীরে তার প্রতি আকৃষ্ট হয়ে পড়ি। সে আমার সবকিছু নিয়ে নিয়েছে এখন বিয়ে না করে পালিয়ে গেছে। আমি এর সুষ্ঠু বিচার চাই।
একজন নারীকে বিয়ের মিথ্যা আশ্বাস দিয়ে তার সাথে সম্পর্ক করা অন্যায়। আশা করি সঠিক তদন্তের মাধ্যমে এই অবলা নারীর সাথে করা প্রতারণার সঠিক বিচার করা হবে।

